গল্প: মায়ার চাদর (০৩)


পর্ব:০৩

-----------------------



আমি
ফ্রেশ হয়ে ডাইনিং টেবিলে বসলাম। কিছুক্ষণ পরে

আম্মু খাবার দিল আমরা সবাই খাবার খেয়ে নিজ নিজের

ঘরে ঘুমিয়ে পড়লাম। বিকেল বেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ

হয়ে বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেলাম।আমার বন্ধুর নাম

শ্যামল।


আমি : দোস্ত কেমন আছিস



শ্যামল: ভালো আছি। কিন্তু তোর মুখ চোখ দেখে ভালো

লাগছে না, মনে হচ্ছে তুই কোনো কিছু নিয়ে পেরেশানি

করছিস।


আমি: দোস্ত খুব পেরেশানি প্লিজ হেল্প করবি

শ্যামল: বল সমস্যা নেই আমি কাউকে বলবো না।



আমি: কোনো যুবতী নারীকে কীভাবে স্বর্গীয় জান্নাতের

সুখ দেওয়া যায়??




শ্যামল: দাঁড়া আমার পরিচিত একজন বাবা আছে চল ওর

কাছে।




আমরা দুইজন গেলাম বাবার দরবারে। বাবাকে বললাম,

কোনো যুবতী নারীকে কীভাবে স্বর্গীয় জান্নাতের সুখ

দেওয়া যায়??


বাবা: কাছে এসো কানে কানে বলি!



আমি কাছে গেলাম




বাবা: কোনো যুবতী নারীকে যদি প্রকৃত যৌন মিলন করো

যদি তার রাগ মোচন হয় তাহলে সে স্বর্গীয় সুখ পায়।




আমার মাথা গরম হয়ে গেল শরীরে যেন রক্ত টগবগ

করতে লাগলো? আমি কেমন করে নিজের আম্মুকে চুদে

গুদের রস বের করবো আমি তো তার নিজের পেটের

ছেলে।




আমার অবস্থা দেখে বন্ধু আমার হাত ধরে টেনে দরবার

থেকে বাইরে নিয়ে গেল।তারপর বললো




শ্যামল : কী হয়েছে তোর শান্ত হও।এত মাথা কেন গরম

করছিস।চল আমরা কোল্ড ডিংকস খায়।


আমরা কোল্ড ড্রিংকস খেলাম।



তারপর কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে সন্ধায় সিনেমা হলে

গেলাম মুভি দেখলাম কমেডি মুভি।আমাদের ২ বন্ধুর

ভালোই সময় কাটলো।




রাত তখন ৯.৩০




শ্যামল : তাড়াতাড়ি বাসায় চল আম্মু বাসায় একা আছে




আমি ওকে ওর বাসায় ড্রপ করে আমার বাড়িতে যাচ্ছি।




আর মনে মনে ভাবছি আমি আমার আম্মুকে চুদবো তখন

সে রাগ মোচন করবে তখন আম্মু জান্নাতের সুখ পাবে।




আমি আমার আম্মুকে ভিষণ ভালোবাসি সাধু বাবার কথা

আমি মানতে খুব খারাপ লাগছিল।যে আমি কীভাবে

আম্মুকে চুদবো যে মায়ের গুদ দিয়ে আমি বের হয়েছি সেই

গুদে আমি ঠাপাবো।এইসব ৭-৫ ভাবতে ভাবতে আমার

বাঁড়া মহারাজ শক্ত হয়ে গেল। মনের ভেতর আম্মুর ছবি

ভেসে উঠল।


কিছুক্ষণের মধ্যে আমি বাসায় আসলাম।

আমি কলিং বেল বাজালাম।আম্মু গেট খুলে দিল।

আম্মু : ছাদে আয় তোর সাথে কিছু কথা আছে

আমি : ঠিক আছে আম্মু তুমি যাও আমি আসছি।

আমি ফ্রেশ হয়ে লুঙ্গি পড়ে ছাদে গেলাম।


আম্মু : এত রাতে কেন ঘরে ফেরা। আম্মু অনেক রেগে 

ছিল। সচরাচর আম্মু কখনো রেগে কথা বলে না।




আমি: শ্যামলের সাথে ঘুরতে গেছিলাম।




আম্মু : রাত কত হয়েছে দেখেছিস।এই বাড়িতে পুরুষ মানুষ

বলতে একমাত্র তুই।আমাদের কেউ যদি কোনো ক্ষতি করে

তখন কী করবি। নিজের বাপের মতো হোস না যে কিনা

পরিবারের কোনো কিছু খোজ খবর নেই না।




আমি: আম্মু প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও আমি আর

কোনোদিন এভাবে রাতে বাইরে থাকবো না।আমি আম্মুর


পায়ের নিচে গিয়ে ঠোঁট দিয়ে আম্মুর পায়ে একটা চুমু

দিলাম।আম্মুর পা দুটো আমি দুই হাত দিয়ে ধরে আম্মু প্লিজ

আমাকে ক্ষমা করে দাও।



আর মনে মনে ভাবছি আম্মুর পা দুটো কতো সুন্দর নরম

না জানি গুদ কতো রসালো নরম হবে।কত ফর্সা হবে

আম্মুর গুদ।



আম্মু : ওঠ বলছি।

আমি ওঠার পরে আম্মুকে বললাম :



আমি: আমার সারাদিন ফোন টিপতে ভালোলাগে না। রুমে

একা খুব বিরক্ত লাগবে।



আম্মু : তোর যখব বিরক্ত লাগবে তুই আমার সাথে সময়

কাটাবি। আমিওতো একা একা বিরক্ত হয়।



আমি: আম্মু আজ থেকে আমি তোমার সাথে সময়

কাটাবো। আমি আমার আম্মুর কাছে গিয়ে আম্মর

কপালে একটা চুমি দিলাম।


 
আমার বুকের সাথে আম্মুকে জড়িয়ে ধরলাম।

 


আম্মুর দুধগুলো আমার শরীরের সাথে লাগার কারণে

বাঁড়া মহারাজ টনটনে খাড়া হয়ে গেল।আমি আম্মুর পাছার

হাত দিয়ে আমার বাঁড়ার সাথে চেপে ধরলাম ।


 

আম্মু : আহ্ আহ্‌হ্ উমম্ বাবু কী করছিস এরম করিস না।



আমি জানি আম্মুর খুব ভালো লাগছে তবুও নিষেধ করছে

কেনো।আমি না থেমে চালিয়ে যেতে থাকলাম।



আমি আম্মুকে দেয়ালের সাথেই চেপে ধরলাম। আর

আম্মুর গলায় আদর করতে লাগলাম।


 



সাবিত্রীর খুব ভালো লাগছিল তার ছেলের আদর খেতে।

তার স্বামী তাকে কোনোদিন এভাবে আদর করিনি।



সে চাচ্ছিল তার ছেলে তাকে আরও আদর করুক।কিন্তু

শত হোক সে একজন মা, তাই সে শুধু মুখে বলছিল



আম্মু: উমম্ উমমম্ বাবু কী করছিস সোনা



আমি: তোমাকে ভালোবাসা দিচ্ছি আম্মু



আম্মু : কিন্তু এমন ভালোবাসা তো মা ছেলের সাথে চলে না

বাবু।



আমি: তাহলে কার সাথে চলে আম্মু?



আম্মু : এমন ভালোবাসার আদর শুধুমাত্র স্বামী- স্ত্রী,

করতে পারে।



আমি : প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে হয় না আম্মু?



আম্মু : হয়।তুই কীভাবে জানলি যে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে

এসব হয়।তোর কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে নাকি?



আমি : নাই আম্মু আমার আবার গার্লফ্রেন্ড। এতটাও

সৌভাগ্য কপাল আমার হয়নি।



আম্মু : এমন কথা বলিস না বাবু।তোর জন্য আমি মেয়ে

পটিয়ে দিব।একজন বন্ধু হিসেবে দরকার হলে পটিয়ে

দিব।



আমি: মনে মনে তুমিই তো আমার স্বপ্নের রাণী।তোমাকে

কীভাবে বোঝাবো আম্মু তুমি কতটা সুন্দরী। আমি তো

তোমার প্রেমে দিনরাত হাবুডুবু খাচ্ছি।


আম্মু: কী বেপার এত কী ভাবছিস।

আমি: কিছু না আম্মু

আম্মু : চল নিচে অনেক রাত হয়ে গেছে।

আমি: চলো আম্মু খুব ক্ষুধা লেগেছে



আম্মু আর আমি নিচে গেলাম। আম্মুকে আমার সামনে

দিলাম আমি পেছনে আম্মুর পাছা দেখছিলাম।


 



উফফ কী সেক্সি আমর মায়ের পাছা কবে যে আম্মুকে

চুদবো?

চলবে.........


 

Post a Comment

0 Comments

🔞 সতর্কতা: আমার ওয়েবসাইটে কিছু পোস্ট আছে ১৮+ (Adult) কনটেন্টের জন্য। অনুগ্রহ করে সচেতনভাবে ভিজিট করুন। ×