![]() |
সুদীপ্তা বন্দোপাধ্যায় |
গল্প:পছন্দের বর
পর্ব :০১
কাঁঠাল তলার পাশে ৩১ নং বাড়ীটা অনেক দিন ধরে ফাঁকা পড়েছিল। শুধু মাঠ, তারপরে জলাজমি। এপাশে চাষবাসও হয় না। ওই মাঠের শেষে জঙ্গল। তাই কেউ তেমন আসে না এপাশটায়।
বাড়ীটা ভেঙেচুরে পড়েছিল বহুকাল। পোড়ো ভিটে, কাক শালিকের বাসা, দরজা জানালা কবে উধাও হয়ে গেছে। তবে বাড়ীর গাঁথুনি মজবুত, একটুও চিড় ধরেনি। গায়ে শ্যাওলা লেগেছে, বটের চারা, আগাছাও গজিয়েছে দেওয়ালে। কিন্তু বাড়ীটার ইট যেগুলো ভাঙেনি সেগুলো শক্ত হয়ে বাড়ীটা দাঁড় করিয়ে রেখেছে।
ইংরেজ আমলে ওটা নাকি এক জমিদারের বাগান বাড়ী ছিল। লোকে বলে ওই বাড়ীর নীচে একটা গুম ঘর আছে। ওখানে অনেক লোককে ধরে এনে খুন করা হয়েছে। অনেক মেয়ের ইজ্জৎ লুটে নেওয়া হয়েছে। সেই লাশ গুলো এই বাগানেই পূতে দেওয়া হত। লোকে এখানে আসতে ভয় পায়। বলে, এ বাড়িতে ভূত আছে। যুগ * যুগ ধরে অতৃপ্ত আত্মার বাস এখানে।
ওটার নাম কেন ৩১ নং বাড়ী হল তা নীলকান্ত দাস জানত না। তবে বাড়ীটা তার পছন্দ হয়েছিল। এই বংশের কোন এক শরিক বিক্রী করতে রাজী হল। সেও কিনে নিল।
কাঠের ব্যবসা তার। ভাল পয়সা। কিনে নিয়েই একদম ভোল পাল্টে দিল বাড়ীটার।
নতুন করে গাঁথুনি দিয়ে ভেতরে প্লাস্টার করে কালো কাঁচ ও সাদা কাঁচের নক্সা দিয়ে কাঁচের জানালা করে ভেতরে প্লাস্টিক পেস্ট লাগিয়ে একদম ফাইভ স্টার হোটেলের মত ঝকমকে করে ফেলল বাড়ীটাকে। দেখে বোঝা দায় বাড়ীটা কদিন আগে কি ছিল।
বিদ্যুতের সংযোগ আর জলের ব্যবস্থা হয়ে যেতেই নীলকান্ত সপরিবারে এসে উঠল এই মহলে
পরিবার বলতে তার স্ত্রী ৩৩ বছরের মিনতি বা মিনু আর ১৬ বছরের ছেলে সঙ্গানন্দ বা সদা।
ছেলেটা সবে মাধ্যমিক পাশ করেছে। এখন শহরের এক নাম করা কলেজে পড়ে। যেতে খুব অসুবিধে নেই। শহর এখান থেকে হাঁটাপথে বিশ মিনিটের পথ। সদার বাবাও শহরে যায় কারবারের কাজে।
গুছিয়ে তো বসল, কিন্তু কী একটা যেন খটকা সবার মনে। যবে থেকে এসেছে কি সব যেন ঘটছে।
রাত ১২ টা বাজলেই চিলেকোঠার সিড়ি দিয়ে কে যেন নামে, ছাদের কাছে খুপধাপ শব্দ।
ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আলো জ্বালিয়ে দেয় নীলকান্ত। টর্চ নিয়ে ছাদ পর্যন্ত ওঠে। কই, কাউকে তো দেখতে পায় না।*
অনেক রাতে পশ্চিম দিকের শেষ ঘরটায় কে যেন কাঁদে। নারী কণ্ঠের আওয়াজ। ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদে অনেকক্ষণ ধরে।
নীলকান্ত ভাবে, ওটা বেড়ালের আওয়াজ। বেড়ালরা ঠিক মানুষের মত কান্নার শব্দ করতে পারে।
মিনু, ভয় পায়। কান্ড কারখানা দেখে তার এত বড় বাড়ীর সাধ ঘুচে যায়। বলে- ওগো এ কোথায় এলে। যেখানে ছিলাম সেখানে ফিরে যাই চল।
নীলকান্ত ধমকায়- চুপ কর তো, যত আজে বাজে ভয়।
- নাগো, এখানে আমি থাকব না। এ মানুষের থাকার জায়গা নয়।
- তবে কার থাকার জায়গা?
- না, না এ বাড়ী ভাল নয় যেখানে ছিলাম সেখানে ঘর ছোট হোক, কিন্তু শান্তিতে তো ছিলাম। এখানে এসে সর্বক্ষণ ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। রাতে শান্তিতে ঘুম হয় না।
- তোমার মাথা খারাপ হয়েছে।
- যাই বল এ ভাল নয়। রাতে কারা চলে চলে বেড়ায় সারা বাড়ীময় হঠাৎ করে আলো নিভে যায়। শোবার আগে যে জানালা ভাল করে বন্ধ করে শুই সকাল হতেই দেখি সেই জানলা খোলা।
- ওসব তোমার মনের ভুল।
মনের ভুল বলে স্বামী তার কথা চাপা দিয়ে দিল, কিন্তু মনের ভয় কাটে না। অন্ধকার নামলেই কেমন গা ছমছম করে।* বাড়ীটার আশে পাশে তাকালে। মনে হয় ওই বড় বড় খাম গুলোর আড়াল থেকে কে যেন ঘাপটি মেরে দেখছে।
রান্নাঘরের জানলা খুলে দেখা যায় একটা ছোট শ্যাওড়া গাছ। বাকি বড় বড় গাছগুলোর থেকে আলাদা, অন্যরকম। ঐ দিকে তাকিয়েই কেমন অন্যমনষ্ক হয়ে পড়ে মিনু।
ছেলেকে সে বলে- জানিস সদা কাল বাতে দেখলাম ঐ গাছের নীচে একটা মেয়ে এসে বসেছিল।
- মেয়ে।
- হ্যাঁরে। বাসন্তী রঙের শাড়ী পরে, একপিঠ চুল কপালে এতবড় টিপ। ওই ওইখানে এসে বসেছিল।
- কখন?
- তখন দশটা সাড়ে দশটা হবে।
- হ্যাট, তখন কি করে হবে তখন তো গেটে তালা দেওয়া থাকে। তখন কেউ ভেতরে ঢুকবে কি করে।
- হ্যাঁরে, সত্যি বলছি।
- তুমি ভুল দেখেছ, কি দেখতে কি দেখেছ, অন্ধকারে কি বোঝা যায়?
- বলছি তো স্পষ্ট দেখেছি।
বলে কাউকে বোঝাতে পারে না মিনু। তার চারদিকে যেন কেউ অনবরত ফিসফিস কথা বলে। সে বুঝতে পারে, আর কেউ বুঝতে পারে না।
সদার মনে হয় মা যেন দিন দিন বদলে যাচ্ছে এ বাড়ী আসার পর থেকে।
সন্ধ্যা নামলে একটা হাওয়া দেয় বাগানের দিক থেকে। হাস*নুহানা, রজনীগন্ধা, জুঁইয়ের মাতাল করা সুবাস নিয়ে। মা তখন ওই রান্নাঘরের জানলা খুলে তাকিয়ে থাকে শ্যাওড়া গাছের দিকে।
একদিন এক কেলেঙ্কারি কাণ্ড ঘটল। দুপুরে মা উনুনে দুধ চাপিয়ে ক্ষীর করছিল।
দুধে হাতা নাড়াতে নাড়াতে অন্যমনস্ক হয়ে ওই দিকে চেয়ে কাঁধের আলগা আঁচল খসে পড়ে। কখন তাতে আগুন ঘরে গেছে, তার খেয়ালই নেই।
মা সামনের জানালায় ঐ ভাবে দাঁড়িয়ে। আচল থেকে আগুন ততক্ষণেই ছড়িয়ে যায় লেগে থাকা হাঁটুর কাপড়ে ছায়ায়।
সদা কি একটা বলতে এল মাকে। এসেই দেখে দাউ দাউ করে কাপড় জ্বলছে। মা বেহুশ।
সে ছুটে আসে, বলে- মা আগুন।
মায়ের সম্বিত ফেরে আচমকা আগুন দেখে জড় সড় হয়ে যায়। চেচিয়ে উঠে ভয়ে।
- ও বাবা গো, কি হবে গো।
ছেলে সময় নষ্ট না করে বলে,
- মা, এক্ষুণি কাপড়টা ছেড়ে ফেল।
মায়ের হাত পা জমে গেছে। সে পারল না। ছেলে ঝাপিয়ে পড়ে কোমর থেকে ফড় ফড় করে খুলে দের কাপড়ের কুচি। আঁচলটা টেনে নামিয়ে দেয়। ঘেরটা খুলে জলন্ত কাপড়টা নিচে ফেলে দেয়।
আগুন সায়াতেও ধরে গেছে। সে বলে,
- মা, এটা খুলে দাও।* মা বলে,
- না, মরি মরব। ওটা খুলবি না।
- আরে লজ্জা টজ্জা পরে করবে। এখন ছাড় তো।
বলে ছেলেই জোর করে সায়ার ফিতের ফাঁস খুলে সায়াটা আলগা করে দেয়। তারপর টেনে নীচে নামিয়ে দেয়। চেচিয়ে ওঠে মা,
-এমা, ইস ছিঃ ছিঃ। ছেলে বলে,
- কি কর কি, একটু, হুশ থাকে না? আগুন লেগে গেছে কাপড়ে। জ্বলন্ত কাপড় গুলো পা দিয়ে ঠেলে সরিরে দেয় একপাশে। তারপর এক বালতি জল নিয়ে তার উপর ঢেলে দেয় ছেলে।
মা প্রায় নগ্ন। দু হাতে ঢাকা দিয়েছে উরুসন্ধি।
ধমকে উঠে বলে,
- কি করলি তুই হারামজাদা শয়তান, আমার কাপড় খুলে দিলি।
- বেশ করেছি।
- বেশ তোমার করাচ্ছি, বাবা আসুক। আমি বলছি সব বাবাকে।
- বলবে বলো। আমিও বলব নিজে কাপড়ে আগুন লাগিয়ে দাঁড়িয়েছিল।
- যা হতভাগা, দূর হও এখান থেকে।
ছেলে দেখে মা প্রায় কাঁপছে। লজ্জায়, অপ্রস্তুত অঘটনে, দ্বিধা, সংকোচে। পরনে লাল ব্লাউজটুকু মাত্র। বাকী সব খোলা।
ফর্সা ধবধবে নির্লোম জঙ্খা, পা, কোমর, তলপেট, তলপেটে গজানো চুল সবই স্পষ্ট সামনে। নমনীয় পেট, মেদহীন। তাতে নাভীর ছোট গর্তটা। অগভীর কিন্তু নরম। তলপেট * ভারি, চওড়া কোমর।
ছেলে নজর দিচ্ছে দেখে পেছন ঘুরে যায় মা। পোঁদটা সামনে আসে।
গোল গোল দুটো মাংসের বল বেশ চওড়া। হাল্কা লোম মাঝখানের ফাঁকটায়। ! লজ্জায় পোঁদের উপর লোম গুলো খাড়া হয়ে গেছে।
- চলে যা বলছি। দেখছিস না আমার গায়ে কাপড় নেই।
মায়ের এই দিগম্বরী মূর্তি' দেখে চোখের পলক পড়ে না সদার। আহা, কি রূপ! যেন কুমোর পাড়ায় ছাঁচে গড়া প্রতিমা।
- যা হতচ্ছাড়া। মায়ের ধমক খেয়ে রান্নাঘর থেকে বাহিরে আসে সদা। চোখে তখন ঘোর।
এত দিন ধরে দেখেছে মাকে, কিন্তু এমন করে দেখেনি। এ যেন অতুলনীয়, অপূর্ব। স্বপ্নের মত সুন্দর এক গৌর বর্ণা নারী।
মনে মনে নানান রসাল চিস্তা আসে। নানান রঙিন কল্পনা। জলরঙে আঁকা ছবির মত।
যে ভয়টা ছিল, সেটা ঘটল না। মা কিছু বলল না বাবাকে।
হয়তো নিজেও দোষ করেছে, সেটা অনুধাবন করে। সদার ভালই হল। একটা নতুন অভিজ্ঞতা হল।
আরও চমক বাকী ছিল তখনও। মায়ের স্বভাব ক্রমশঃ বদলাচ্ছে।
আগে ছিল সরল সাদাসিথে। এখন বেশ গম্ভীর। সদার * সঙ্গে বেশী কথা বলে না।
একদিন কোচিং ক্লাস থেকে বাড়ী ফিরল সদা, তখন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। সে বাগান পেরিয়ে ঘরে ঢোকার মুখে দেখতে পায়, একটা নারীমূর্তি' হেটে যাচ্ছে আম গাছের ঝাড়ের দিকে।
পরনে হাল্কা রঙের শাড়ী। পিঠে এলানো লম্বা চুল, আন্তে আন্তে হাঁটছে।
সদা তার পিছনে পিছনে গেল। কে মেয়েটা কোথায় যাচ্ছে? সে সতর্ক পা ফেলে ফেলে অনুসরণ হয়। যাতে শব্দ না হয়
বাগানের ঘাসে শুকনো আম পাতা পরে আছে। এতে পা পড়লেই শব্দ হবে।
সে মেয়েটার পিছনে পিছনে আম গাছের ঝাড় পেরিয়ে গেল। দেখল, মেয়েটা সেই একদম শ্যাওড়া গাছটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
সদা একটা গাছের পেছনে লুকিয়ে দেখতে লাগল।
মেয়েটা ডাকছে কাকে।
- শুভ শুভ , আমি এসেছি।
আরে এতো মায়ের গলার আওয়াজ।
মা এখানে কি করছে?
সে দেখে মা বিড়বিড় করে কি সব বলছে। ঠিক মত শোনা যাচ্ছে না। একটু পরে শোনা গেল।*
- শুভ, তুমি এস সোনা। এস আমার কাছে। আমি কত কাল ধরে অপেক্ষা করে আছি তোমার জন্য।
কাকে ডাকছে? কাউকে তো দেখা যাচ্ছে না এই অন্ধকারে। মা শুধুই একা কথা বলে যাচ্ছে।
- শুভ, আমি তোমার নলিনী। তোমার স্ত্রী। তোমার শুধু তোমার আমি, চিরদিন চির কাল। এস সোনা, আমার কাছে এস।
শুভ কে? কেমন যেন ভয় ভয় করে সদার। মা কাকে ডাকছে? মায়ের নাম নলিনী কবে থেকে হল? মায়ের নাম তো মালতি।
মায়ের কি মাথা খারাপ হল?
- শুভ এস। আমি তোমার জন্য দাঁড়িয়ে আছি দেখ।
সদা পায়ে পায়ে এগিয়ে যায় মায়ের পিছনে গিয়ে দাঁড়ায়। নিঃশব্দে, সাবধানে। ডাকল,
- মা। মা পিছনে ঘুরল তাকে দেখে কি যেন ভাবল, তারপর হাসল।
- শুভ তুমি এসেছ? চমকে ওঠে সদা।
- আমি শুভ নই মা, আমি সদা, তোমার ছেলে।
- উহু, আমি ঠিক চিনেছি। আমার সোনা, আমার জীবন মরণ সবকিছু, আমার শুভ।
- কি বলছ কি!
- আমার স্বামী হয়ে এতদিন দুরে ছিলে কেন শুভ? আমার* যে খুব কষ্ট হয়।
- আমি তোমার ছেলে গো মা।
- আমি জানি তুমি আমার, তুমি আমার কাছেই আসবে। তাই রোজ রাতে এখানে এসে বসে থাকি তোমার অপেক্ষায়
- তুমি কি বলছ আমি কিছুই বুঝতে পারছি না!
- আমার কাছে এস, আমার বুকে এস আমি সব বুঝিয়ে দেব। বলে দুহাত বাড়িয়ে সদাকে বুকে চেপে ধরে মিনু চুমু খায় পাগলের মত। তার গাল, মুখ, নাক, ঠোঁট চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দেয়। আমার শুভ, আমার শুভ।
প্রেতে ভর করেছে মাকে। অন্ধকার আম বাগানে হাওয়ায় হাওয়ায় তাদের আনাগোনা। মৃত্যুর পর অজানা এক অস্তিত্ব। মায়ের জীবিত শরীরে মৃত কোন আত্মা বাসা বেধেছে।
- এসো শুভ আমাকে নাও আমার রূপ যৌবন সব তোমার ছোঁয়া পেতে চায়। বলতে বলতে বুকের উপর ব্রাউজের হুক গুলো পটপট করে খুলতে শুরু করে মা।
উপরের ঘরের জানলা দিয়ে আলো চুইয়ে এসে বাগানে পড়ছে। সেই আলোয় সদা দেখল তার মা হাত গলিয়ে ব্লাউজ খুলে ভেতরের সাদা ব্রা এবং পিঠের ওপর ব্রার হুক আলগা করে ফেলে সেটাও নামিয়ে দেয় বাহু গলিয়ে। সরে যায় বুকের সব আবরণ।
অনাবৃত নগ্ন বুক উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। নরম মোলায়েম স্তন দুটো থলথল করে নেচে ওঠে দোল খেয়ে। স্ফীত পিচ্ছিল স্তন দুটি যেন মালাইদার ছানার পুঁটলি। দূঢ় উদ্ধত অনমনীয়।*
বড় বড় গাড় কালচে বোঁটা মুখ তুলে উপরে খোঁচা হয়ে আছে। তার চারপাশে একটা গোল পরিধি আর ওই বোঁটার মতো গাঢ় কালচে গড়ন।
মা দুহাত বাড়িয়ে ডাকে,
- এসো আমার কাছে।
জটিল সমীকরণ। মায়ের নগ্ন বুক দেখতে ভয় হয়। লোভও হয়। বুক ধুক ধুক, হৃৎপিণ্ড লাফাচ্ছে।
এমন অন্ধকার রাতে বাগানে মায়ের যৌবন ভরা দেহ, খোলা আহ্বান, মন মাতাল দৃষ্টি ও অন্তরঙ্গ
আলাপ। বাবা আসতে এখনও আধঘন্টা দেরী। ততটুকু সময় যদি একটু সুখ চুরি করে নেওয়া যায় ক্ষতি কি। সদা নিঃশব্দে এগিয়ে যায় মায়ের দিকে।
মা তাকে কাছে আনে আর দু হাতের দু বাহুতে হাত বোলায়। সদা দুহাতে মাকে জড়িয়ে ধরে মুখ নামিয়ে চুমু খায় বুকে।
নধর মাই দুটো শীতের হাওয়ায় বরফজল পড়ার মতো কেপে উঠে।
- আমার সোনা শুভ বলে সদার মাথাটা বুকে চেপে ধরে মিনু। মাথার চুলে আদর করে বিলি কেটে মাথায় চুমু খায়।
সদা ভিড দিয়ে চাটে স্তনবৃন্ত দুটো। মখমলি গদির মতো তুলতুলে মাই দুটো ধরে ঘাঁটে, একটু জোর দিয়ে টেপে ও চটকায় আর বোঁটায় মুখ দিয়ে চোষে চুকচুক করে।
সদা বুঝতে পারে মা কোন বাধা দেবে না সে যাই করুক না কেন। মা এখন তার মা নেই, মা এখন নলিনী। এক পিপাসিত অপেক্ষারত নারী। সুখের আশায় সে যুগ যুগ ধরে অপেক্ষা * করেছে।
সে মাই খেতে খেতে সামান্য নীচু হয়ে নীচে ডানহাত বাড়িয়ে চেপে ধরে শাড়ী।
বাসন্তী রংয়ের তাঁতের শাড়ীটা একটু একটু করে গুটিয়ে তোলে উপরে। শাড়ীর নিচের ঘেরটা হাতে আসতেই তার তলায় সায়া লাগে। সদা বেপরোয়া হাতে সেটাও গোটাতে শুরু করে।
সে মাই থেকে মুখ সরিয়ে একবার মায়ের মুখটা দেখে নেয়। দেখে চোখ দুটো বুজে জোরে জোরে শ্বাস ফেলছে ঠোট বন্ধ আর গম্ভীর। বোঝা যাচ্ছে বাধা দেওয়ার আগ্রহ নেই।
গর্ভধারিণী মা যখন অনুমতি দিচ্ছে তখন আর ভয় কিসের। সাহস বেড়ে যায় সদার।
সে নীচু হয়ে দুহাতে শাড়ী সায়া একসাথে ধরে গুটিয়ে তুলে ফেলে হাঁটুতে। তারপর আরও উপরে। জঙ্ঘা পেরিয়ে কোমরের নিম্নাঙ্গ পুরো অনাবৃত হয়ে পরে। সদা হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে মায়ের পায়ের কাছে। একহাতে কাপড়টা ধরে অন্য হাতে মায়ের তলপেটে হাত ছোঁয়ায়।
মা একটু ঝুকে দেখে তাকে। তার অসুবিধা হচ্ছে কাপড় সায়া ধরে রাখতে দেখে নিজেই নিজের কাপড় সায়া তুলে ধরল। ওগুলো ঝুপ করে পড়ে গেলেই কাজে অসুবিধা হবে, তাই তুলে ধরলে ভাল ভাবে কাজ করতে পারবে সদা।
সদার বুকে অভাবনীয় উন্মাদনা। মায়ের যৌবন যেন কেউ দোকানের শোকেস খুলে সুন্দর মোড়কে তার সামনে এনে হাজির করেছে। তার অমোঘ আকর্ষণ তাকে পাপ কাজ করতে বাধ্য * করছে।
সে মায়ের উরুসস্থিতে গজানো নরম লোমে হাত বোলায় আলতো আবদারে।
ওই লোমের নীচে যে খালটা শুরু হয়েছে ওটা সব নারীর গোপন জায়গা। মা ছেলের কাছে আজীবন রহস্য থেকে যায়। তার সৌভাগ্য যে সে আজ এই রহস্যময় গর্তে নজর দিচ্ছে।
চুমু খায় উরুতে, তারপর কুঁচকিতে ও তলপেটে। শেষে চুমু খায় মায়ের ওই ফুলো হয়ে ঢাল হয়ে
যাওয়া গুদে।
কী তীব্র গন্ধ, বোধহয় ঘামের। মায়ের গাত্রের এক অদ্বিতীয় গন্ধ। আবেশে চোখ বুজে আসে সদার।
- আমার সোনা শুভ ।
মা নিজের উরুসন্ধি ফাঁক করে দাঁড়ায়, যাতে সদা ভাল করে হাত পায় শরীরের গভীরতম অংশে।
দু পায়ের ফাঁকে মায়ের গুদ । টেনে খোলে দুহাতের আঙ্গুল দিয়ে।
মা এত ফর্সা যে, উরু, তলপেট সব জায়গায় ফর্সা ত্বক। শুধু এই মোতার জায়গাটার চামড়া কালচে। চেরা খালটার মাঝখানে একদম পাতলা কিলকিলে কালচে চামড়া। একটা পাতলা চামড়া খালটায় মাখা থেকে ঝুলে আছে নীচে।
তার নীচে দুটো গর্ত। একটা ছোট ফুটো, নীচে দু আঙুল ব্যাসের বড় ফুটো। মুখেটা বুজে থাকে। কিন্তু খোঁচা দিলেই খুলে যায়।
সদা বায়োলজি বইয়ে পড়েছে, নীচে কলেজে থাকা পাতলা, চামড়াটা হল ক্লিটোরিচ।*
ওটা ছেলেদের বাড়ার মত খাড়া হয়ে যায় যখন মেয়েরা উত্তেজিত হয়।
তার নীচে ছোট ফুটোটা মুত্রনালী আর তলায় বড় ফুটোটা গুদের ফুটো। দু পাশে গোটা খাল বরাবর যে পাতলা কালচে চামড়া গর্তটা ঢেকে রেখেছে, ওটা গুদের ঠোঁট। দুটো পরত থাকে, লেবিও মেজরা এবং লেবিও মাইনরা।
মায়ের যৌবনের রহস্য খুলে যায় ছেলের সামনে।
সে মুখ দিয়ে চাটে গুদের খালটা। ভেতরের ক্লিটোরিচ বা কোট, মূত্রনালী এবং গুদের নালী।
উঃ মা, পিপাসিত কামনায় শীৎকার দিয়ে উঠে মা চোখ বন্ধ। নাক থেকে ঝরে পড়ছে জোরাল নিঃস্বাস ।
ছেলে গুদের রস চেখে দেখে জিভটা ঘষে যেতে প্রথমটা কষা কষা লাগে। তারপর একটু ঘন ভাতের ফ্যানের মত। খুব সামান্য নোনতা।
যৌনাঙ্গের ঘেমো গল্প সদার মনে অবাধ্য কামের ঢেউ তোলে। মায়ের গুদ আর তার চারপাশের উরু, কুচকি, নিতম্বের গা থেকে ভুরভুর করে ওই গন্ধ ছাড়ছে।
- শুভ, এই কি হচ্ছে। দুষ্টুমি করো না সোনা।
সদা লোভী হয়ে উঠেছে। সে গুদের মাঝে ঝোলা পাতলা চামড়া বা কোঁটটা কামড়ে চুষতে শুরু করে।
চলবে......

0 Comments